Main Menu

গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়ায় নার্স ও চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভুল ইনজেকশন পুশ করায় জীবন সংশয় থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মরিয়ম সুলতানা মুন্নির ভুল চিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করে তার নিজ এলাকাবাসী। আজ সোমবার সকাল ১১টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা চন্দ্রদিঘলিয়া বাস স্ট্যান্ডে হাতে হাত রেখে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী।

এসময় তারা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভুল চিকিৎসকের ঠায় নাই,” মুন্নি আজ মৃত্যুর মুখে কেন জবাব চাই, মানবতা মা তুমি মুক্ত করো জন্মভূমি, ডাক্তার তপন এর বিচার চাই, প্রশাসন কেন নীরব, আমরা বাঁচতে চাই” এমন সব প্লাকার্ড করে প্রতিবাদ জানাই এলাকাবাসী মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বি,এম ওবায়দুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, দোষী ডাক্তার ও নার্সকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর থেকে কঠোরতার শাস্তি দেওয়া হোক।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মুন্নির চাচা জাকির বিশ্বাস বলেন, প্রকল্পিত ভাবে খুনের চেষ্টায় ডাক্তার নার্সের সহযোগীতায় ভুল ইনজেকসন পুশ করায়।
চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমা বেগম তার বক্তব্যে বলেন, গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এ প্রতিনিয়ত অবহেলা ও অনিয়ম ঘটে চলছে আমাদের মেয়ে মরিয়ম সুলতানা মুন্নি তারই শিকার হযয়েছে ঘটনার সাথে জড়িত ডাক্তার ও দুই নার্সকে দ্রুত গ্রেফতার করা হোক এবং গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় জেলা প্রশাসকের মনিটরিং করা হোক।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চন্দ্রদিঘলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক গোলাম রসূল ভূইয়া, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক বাবু প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এর সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, ডাঃ কুব্বাত মোল্লা, আকু মোল্লা, মুসফিক খান, জামিল ভূইয়া, রনি ভূইয়া, ফরাদুল ভূইয়া, হেলাল মোল্লা, সাহাদ বিশ্বাস, মঈন বিশ্বাস, পরশ বিশ্বাস প্রমুখ।

দ্রুত দাবি মানা না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন এলাকাবাসী।

প্রসঙ্গত, পিত্তথলিতে পাথরের অপারেশনের জন্য গত সোমবার মুন্নিকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ডাক্তার তপন কুমার মন্ডল এর তব্য দিনে মঙ্গলবার সকালে অপরেশনের সিদ্ধান্ত হয় মুন্নিকে হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার আগেই ডাক্তারের নির্দেশে ওয়ার্ডের কর্মরত নার্স শাহনাজ পারভীন ও কুহেলিকা মুন্নিকে এন্টিবায়েটিক এর পরিবর্তে ভুল করে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করে এরপরই মুন্নি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে ধীরে ধীরে মুন্নির অবস্থা অবনতি ঘটে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জরুরী ভিত্তিতে তাকে খুলনা শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল এ নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় খুলনায় ভর্তি করা হলেও মুন্নির অবস্থা কোনো উন্নতি না হওয়ায় বুধবার তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি এবং আগের থেকে আরো খারাপ অবস্থা রয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়।

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাক্ঙিত। আশা করি মেয়েটি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। ওই নার্স দোষী হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’






News Room - Click for call