Main Menu

বিচারের দাবীতে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাজৈরে সোহেল হত্যার বিচারের দাবীতে ফুঁসে উঠেছে জনতা

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর মজুমদার বাজারের ব্রিজের পোল্ট্রি মুরগীর ব্যবসায়ী সোহেল হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। নৃশংস এই হত্যার বিচারের দাবীতে শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে স্থানীয়রা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার আবদুল খালেক হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদারের সাথে নির্বাচনী বিরোধ ও তৃতীয় স্ত্রীর সাথে পরকীয়া প্রেমের প্রতিশোধ নিতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও তার লোকজন মিলে রাজৈরের মজুমদার বাজারের ব্রিজের কাছে সোহেল হাওলাদারকে একা পেয়ে কুপিয়ে আহত করলে দ্রুত রাজৈর উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানে সোহেলর অবস্থার অবনতি হলে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়।

এই হত্যার প্রতিবাদে শনিবার সকাল ১১টায় সোহেলের নিজ বাড়ী থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে সাধুরব্রিজ এলাকায় শেষ হয়। পরে বিক্ষুদ্ধরা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ফেলে। এতে রাস্তার দু’পাশে যানজট লেগে যায়।
পরে রাজৈর থানার ওসি শাহজাহান মিয়া হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আশ্বাস দিলে অবরোধ প্রত্যাহার করে।

এসময় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সোহেলের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী। বিক্ষুদ্ধরা অবিলম্বে দোষী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দাবী করেন।

নিহত সোহেলের বড় ভাই মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে খুনী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামসহ খুনে অংশগ্রহনকারী সকলকে গ্রেপ্তার ও বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখেন কথিত ঘাতক চেয়ারম্যানের তৃতীয় স্ত্রী তিশা।

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হাওলাদার, নিহত সোহেল হাওলাদারের বড় ভাই মুস্তাফিজুর রহমান, বড় বোন পেরা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের ভাতিজী লাকী আক্তার, ছোট ভাবি সালমা আক্তার, অঞ্জনা বেগম, শশুড় লুৎফর হাওলাদার প্রমুখ।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান মিয়া জানান, এখনো কোন মামলা হয়নি। যদি নিহতের পরিবার মামলা করে তবে আইনী সহযোগিতা দেয়া হবে। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক ভাবে দাফন করা হয়েছে। ময়নতদন্ত রিপোর্ট পেলে দোষীদের শনাক্ত করতে সহায়তা হবে।






News Room - Click for call