খুলনার দাকোপ উপজেলার সুতারখালি ও তিলডাঙ্গা ইউনিয়নে কালবৈশাখীর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ব্যক্তিগত ও বেসরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। খাবার থেকে শুরু করে নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরির উপকরণ আছে এসব ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে।

ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে সুতারখালি ইউনিয়নের গুনারী কালীবাড়ি গ্রাম ও তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কামিনিবাসিয়া গ্রাম। ওই দুই গ্রামসহ উপজেলায় প্রায় ৯৮০টি পরিবারের সহস্রাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। আর প্রচুর বাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পোদ্দারগঞ্জ বাজারস্থ রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমের উদ্যোগে এবং বাগেরহাট রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী গুরুসেবানন্দজি মহারাজের অর্থায়নের ওই দুই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত ও অতিদরিদ্র ১০০জন ব্যক্তির মাঝে চাল ও শাড়ি-লুঙ্গি এবং ব্যক্তিগতভাবে খুলনা-১ আসনের সাবেক সাংসদ ননীগোপাল মণ্ডলের পক্ষ থেকে ত্রিপল, হাঁড়ি বিতরণ করা হয়।

সাবেক সাংসদ ননীগোপাল মণ্ডলের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের শ্রীমৎ স্বামী কালীকেশানন্দজি মহারাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, আ’লীগ নেতা অসিত বরণ সাহা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন গাজী ও পোদ্দারগঞ্জ সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ সরদার। উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা আফজাল হোসেন খান, নীলকমল সরদার, কমলেশ বাছাড়, সাইফুল ইসলাম, ইউপি সদস্য নিমাই মণ্ডল, সুপ্রভাত মণ্ডল, আ’লীগ নেতা ভবেন্দ্রনাথ মণ্ডলসহ আরও অনেকে।