Main Menu

রুপাকে সন্তানসহ বাপের বাড়ী পাঠিয়ে স্বামী সাগর উধাও।

সন্তান কোলে নিয়ে বাপেরবাড়ি আশ্রয় নেন রুপা নামে এক গৃহবধূ।

 

গাজীপুর থেকে দুই ছেলে-মেয়ে কে নিয়ে প্রায় ২ বছর আগে বাপের বাড়ী গোপালগঞ্জ আসে এই রুপা। আসার আগেই স্বামী সন্তান নিয়ে ভালোই দিন কাটছিলো। তবে শাশুড়ির অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলছিলো। পরে তারা আলাদা হয়ে গেলো। রুপার ২ সন্তান ফারিহা তাবাছুন ও ফাহিম। তাদের লালন-পালন করতে কষ্টসাধ্য হয়ে পরছিলো। তাই রুপা স্বামীকে জানান, কিছু দিন বাপের বাড়ীর গোপালগঞ্জ যাওয়া ইচ্ছা পোষণ করেন। স্বামী তাতে রাজী হয়ে গোপালগঞ্জ পাঠিয়ে দেন। মাঝে মাঝে ফোনে যোগাযোগ করতো যখন রুপা সন্তানদের ঔষুধসহ অনুসঙ্গীক খরচের জন্য টাকা চাওয়া শুরু করলো তারপর থেকেই যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

 

 

রুপা দৈনিক আমাদের পত্রিকাকে জানায়, সাগরের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল। আমি যখন ঢাকা থাকতাম তখন আমাদের আলাপ হয়।পারিবারিক ভাবেই আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার স্বামী হাফিজুর রহমান খান, শশুড় নিখিল খান, মাতা জোহরা বেগম ও দেবর জাকির খান।
আমার শাশুড়ি আমাকে প্রচন্ড অত্যাচার করতো। আমার দেবর এর ও স্ত্রী- সন্তান ছিল। আমার মতো তাদের ও বাপের বাড়ী পাঠিয়ে নিজেদের বাসা বদলায় ফেলে এবং সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। আমার স্বামী ও যে ঐরকম করবে আমি ভাবতে পারি নাই।

প্রসঙ্গত, হাফিজুর রহমান সাগর গাজীপুরে বসবাস করতো। রুপার সাথে যে বাসায় থাকতো রুপাকে তার বাপের বাড়ী পাঠিয়ে দিয়ে সে বাসা বদলাই ফেলে এবং যে নাম্বার দিয়ে যোগাযোগ করতো সেটাও বন্ধ করে দেয়।
রুপার বাবার বাড়ী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া। রুপার বাবা সিরাজুল ইসলাম ভূইয়া।

রুপা এখন বাপের বাড়ী গোপালগঞ্জই আসেন। সে তার সন্তানদের বাবা কাছে নিতে চান। প্রশাসনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন।






News Room - Click for call