Main Menu

গোপালগঞ্জের সৃজন ভূইয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন!

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর নিবেদিত প্রান গোপালগঞ্জ জেলার চন্দ্রদিঘলিয়ার কৃতি সন্তান সৃজন ভূইয়াকে
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয়নির্বাহী সংসদ এর সহ- সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
বিভিন্ন মহলের মানুষেরা থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ সরাসরি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছে।

সৃজন ভুঁইয়া গোপালগঞ্জ জেলার চন্দ্রদিঘলিয়ার কৃতি সন্তান ।পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দাদা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধার সংগঠক স্কুল ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কে বুকে ধারন করে সকল ছাত্র- ছাত্রীদের বিপদে আপদে পাশে থাকতেন তিনি।গোপালগঞ্জ জেলা মডেল স্কুল থেকে স্কুল জীবন পার করে নটরডেম কলেজে ভর্তি হন।
স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের কর্মী হয়ে ছাত্রদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেন।কলেজ শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আই আর এ ভর্তি হন ছাত্রলীগ মহান কর্মী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।ছাত্র রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আগামীর পথে এগিয়ে যাচ্ছেন উদিয়মান ছাত্রনেতা। বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র-ছাত্রীরা তার দিকনির্দেশনা নিয়ে কাজ করতে থাকেন। তাঁর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ন হওয়ার সাথে সাথে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এর অর্থ বিষয়ক উপ-সম্পাদক পদে মনোনিত করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ।
তাঁর এমন আদর্শের জন্য সবার কাছে ভালোবাসার পত্র হয়ে উঠেন।

তিনি সবসময় ছাত্রলীগ এর পাশে ছিলেন এখনো আছেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত সৃজন ভুইয়া। ছাত্রদের পাশাপাশি গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের এই নেতা।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মান এবং শেখ হাসিনার বিস্বস্থ ভ্যানগার্ড হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানাচ্ছে।

প্রসঙ্গত,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেকমিটির তালিকা প্রকাশিত হয়।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির স্বাক্ষরিত ওই তালিকায়পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে সহসভাপতি পদের রয়েছেন ৬১ জন।

সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন ১১ জন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন মোট ১১জন।

এছাড়া ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আল-আমীন সিদ্দিক সুজন। তার সঙ্গে উপক্রীড়া সম্পাদক পদে রয়েছেন আরও তিন জন।

বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পদক সাদুন মোস্তফার রঙ্গে উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক রয়েছেন আরও চার জন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিনুল হক চৌধুরী। যার কমিটিতে উপসম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরও ৫ জন।

পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন জাভেদ হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন উপসম্পাদক হিসেবে ৫ জন।

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মন। এই কমিটিতে উপসম্পাদক হয়েছেন আরও ৩ জন।

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিতে সম্পাদক হয়েছেন শাকিল আহমেদ জুয়েল। এই কমিটিতে ‍উপসম্পাদক হয়ে আরও রয়েছেন ৫ জন।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন। তার সঙ্গে রয়েছেন ৪ জন উপসম্পাদক।

গণশিক্ষা বিষয়ে সম্পাদক হয়েছেন আবদুল্লাহিল বারী। উপসম্পাদক রয়েছেন ৩ জন।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হয়েছেন ইমরান জমাদ্দার। সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন ৪ জন।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক।

সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ তালুকদার। সঙ্গে রয়েছেন ৩ উপসম্পাদক।

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হায়দার মোহাম্মদ জিতু। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ রণি। এছাড়া এই কমিটিতে উপসম্পাদক হয়েছেন ৪ জন।

নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জুয়েল মোল্লা। তার সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসিফ ইকবাল অনিক। সঙ্গে রয়েছেন ৫ উপসম্পাদক।

আপ্যায়ন সম্পাদক হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ফাহাদ। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক।

মেহেদী হাসান তাপস পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক।

মানব সম্পদ উন্নয়দ সম্পাদক হয়েছেন নাহিদ হাসান শাহিন। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক।

ছাত্র-বৃত্তি সম্পাদক হয়েছেন আতাউল গনি কৌশিক। সঙ্গে রয়েছে ৪ উপসম্পাদক।

কৃষি-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাকসুদুর রহমান মিঠু। সঙ্গে রয়েছেন উপসম্পাদক পদে আরও তিন জন।

কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন আরও চার জন।

সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ২৩ জন।

কমিটির অন্তত ১২ জন নির্বাহী সদস্যের তালিকাও গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে।

এরআগে, গত বছরের ১১-১২ মে ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর (৩১ জুলাই) সভাপতির পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানীর নাম ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটি ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি ১০১ সদস্যবিশিষ্ট হওয়ার কথা।

রীতি অনুযায়ী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণার পর দ্রুততম সময়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার কথা। কিন্তু দুই সদস্যের এ কমিটির মেয়াদ প্রায় ১১ মাস পর হলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি।






News Room - Click for call