Main Menu

খানজাহান আলী থানা এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যাবসা, মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

খুলনার খানজাহান আলী থানা এলাকায় মাদকের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে রমরমা মাদকের বেচাকেনা থাকলেও শুধুমাত্র লোক দেখানো দুই একটি স্পটে অভিযান করেই যেন দায় শেষ খুলনা মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের। চলতি বছরে ৬মাসের বেশি সময়ের মধ্যে মাত্র ১টি মাদক মামলা দায়ের করেছে যার পরিমান মাত্র ৫০ গ্রাম গাজা মামলা নং ১২ তাং ২০-০৩-১৯ ইং এছাড়া তেমন কোন অভিযান নেই খুলনা মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে জানা যায় খানজাহান আলী থানা এলাকায় প্রায় ২৫ টির অধিক মাদক বিক্রির পয়েন্ট থাকলেও মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কাজ যেন শুধু চেয়ারে বসে থাকা।

এদিকে মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সোর্স জামিল ও রানার অত্যাচারে অতিষ্ট এ এলাকার নিরিহ মানুষ সম্প্রতি শিরোমনি পল্লী বিদ্যুৎ আয়ন বোর্ডের ক্রেন ড্রাইভার গৌতমের কাছ থেকে ভয় ভিতি দেখিয়ে বিশ হাজার টাকা আদায় করেছে এই দুই সোর্স।

গিলাতলা যুব সংঘের সাধারন সম্পাদক শেখ মাসুম বলেন মাদক সেবনের কারনে যুব সমাজ ধংসের পথে বর্তমান সরকার যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে ঠিক তখনই খুলনার মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকান্ড নিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রন অধিপ্তরের কাজ হল মাদক নির্মুলে শুদ্ধি অভিযান করা। কিন্তু খোদ তাদের সোর্সদের অত্যাচারে যদি সাধারন মানুষের হয়রানি হতে হয় তাহলে মাদক নির্মুলে সরকারের শতভাগ চেষ্টা থাকা সত্যেও মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তাদের কারনে কতটুকু সফল হবে তা প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছে।

মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর খুলনা খ সার্কেলের ইন্সপেক্টর মোঃ সাইফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে যে কোন জায়গায়ই আমরা অভিযান পরিচালনা করে থাকি।






News Room - Click for call