Main Menu

নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা বাড়ালো পাকিস্তান, চাপে বাংলাদেশ

একদলের জন্য সমীকরণটা ছিলো সহজ, অন্যদলের জন্য ছিলো বাঁচামরার লড়াই। এই লড়াইয়ে যে জিতবে সেমিফাইনালের আশা তারই তীক্ষ্ণ হবে।

বুধবার (২৬ জুন) বার্মিংহামের এজবাস্টনে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যকার খেলার মোড় ছিলো ঠিক এমনি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিতলেই অস্ট্রেলিয়ার পর দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে চলে যেত নিউজিল্যান্ড। কিন্তু সেই যাত্রায় বাগরা দিলো পাকিস্তান। কম টার্গেটের ম্যাচে ৬ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।

এই জয়ে ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ছয়ে উঠে এল পাকিস্তান। পাকিস্তানের রানরেট (-০.৯৭৬)। অন্যদিকে তাদের সমান পয়েন্ট পেলেও রানরেটে এগিয়ে থাকায় পয়েন্ট তালিকার পাঁচে অবস্থান করছে বাংলাদেশ (-০.১৩৩)।

তবে পাকিস্তানের জয়ে বাংলাদেশ দলের ওপর চাপ কিছুটা হলেও বেড়েছে। দুই দলেরই পয়েন্ট সমান, হাতেও রয়েছে সমান দুটি করে ম্যাচ। অর্থাৎ সেমিফাইনালের দৌড়ে দুই দলকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে হবে। অন্যদিকে আজকের হারের পর ৭ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে কেন উইলিয়ামসনের দল।

প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ২৩৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে তেমন ভালো করতে পারে নি পাকিস্তান। দলীয় ৪৪ রানের মাথায় দুই ওপেনার ইমাম উল হক (১৯) ও ফাখর জামান (৯) সাজঘরে ফিরে যান। তবে তৃতীয় উইকেটে প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজ।

এই দুজন স্কোরবোর্ডে ৬৬ রান যোগ করেন। এরপর বোলিংয়ের দায়িত্ব নেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ভাঙেন এই জুটি। দলীয় ১১০ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৩২ রান করে সাজঘরে ফিরে যান হাফিজ। কিন্তু এরপরও স্বস্তির দেখা মেলেনি কিউই শিবিরে। চতুর্থ উইকেটে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন হারিস সোহেল ও বাবর আজম।

এ ম্যাচ খেলতে নামার আগে বাবরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের রান ছিল ২৯৭১। আজকের ম্যাচের সেঞ্চুরিতে ৩০০০ রানে পাশাপাশি ক্যারিয়ারের ১০ম সেঞ্চুরিও তুলে নেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক হারিস সোহেল।

বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার সেঞ্চুরি না পেলেও, তুলে নিয়েছেন ব্যাক টু ব্যাক ফিফটি। আর তাদের দুজনের ১২৬ রানের চতুর্থ উইকেট জুটিতেই মূলত সহজ জয় পেয়েছে পাকিস্তান। দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন সেঞ্চুরিয়ার বাবর। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১০১ রান করে।






News Room - Click for call