Main Menu

বাংলাটিভির মাদারীপুর প্রতিনিধির অফিসে এক ভন্ড ফকিরের দুর্ধর্ষ চুরি

মাদারীপুর প্রতিনিধিমাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে মাদারীপুর- শরিয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দক্ষিন পাশে মাদারীপুর বাংলাটিভি, দৈনিক ভোরেরপাতা জেলা প্রতিনিধি ও সুর্বণগ্রাম পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মেহেদী হাসান সোহাগের অফিসের দেয়াল কেটে নগদ টাকাসহ প্রায় ৬ লক্ষটাকার মালামাল চুরি করেছে অফিসের পিছনের মান্নান দাড়িয়া (ভন্ড ফকির) সহ নাম না জানা ৪-৫ জন। বুধবার রাতে এব্যাপারে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

চোর ভন্ড ফকির মান্নান দাঁড়িয়া

সাংবাদিক মেহেদী জানায়, মঙ্গলবার(১৬ এপ্রিল) জেলা সাংবাদিকদের পিআইবি দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ছিল সার্কিট হাউজে তাই সকাল ৯টায় সেখানে যাই।এই সুযোগে অফিসের পিছনের অবস্থান করা মস্তফাপুর হাইস্কুলের শিক্ষক ও ভন্ড ফকির মান্নান দাড়িয়া নামে একজন অফিসটি দখলে নেয়া ও অফিসের দামি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টারসহ নগদ টাকা অফিসের পিছন দিয়ে দেয়াল ভেঙ্গে নিয়ে যায়। একজনে দেখে ফেলায় তারা পালিয়ে যায়। পরে মান্নান দাড়িয়া অনেক সময়পর ঘটনাস্থলে আসে,পরে বিষয়টি থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে এলাকা ও মান্নান দাড়িয়ার সাথে কথা বলে একটি সমাধানের কথা বলেন। তবে এর কোন সমাধান না হওয়ায় বুধবার রাতে সদর থানা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তাছাড়া সে এখনো ফোনে ও বিভিন্ন মানুষের কাছে আমাকে হুমকি দিচ্ছে।

আরও জানা যায়, এই মান্নান দাড়ীয়ার নামে স্কুল ফাকি দেয়া, বাল্য বিবাহসহ একাদিক অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া এর আগে অফিসে না থাকায় বাংলাটিভির অফিসের সাটারে লেখা মুছে কাজী অফিস লিখেছে। সে কাজী অফিসের নামে অতিরিক্ত টাকার বিনিময় বাল্যবিবাহ, তালাখনামা, বিবাহ রেজিস্টার করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, তাছাড়া বিভিন্ন ভুয়া তাবিজ, মিথ্যা ঝাড়পোক করে থাকে এই মান্নান (ভন্ড ফকির) মাস্টার।
এদিকে মাদারীপুরের সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরির্দশন করে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং এর সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবী জানিয়েছে।

এব্যাপারে মান্নান দাড়িয়া বলেন, আমার তিন বছর যাবত ভাড়া দেয় না। তাই দেয়াল ভেঙ্গেছি। এটা আমার করা ঘর। আমি ডিসি অফিস থেকে বরাদ্ধ নিয়েছি।

এব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, আমি বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ঐ এলাকার গণ্যমান্যরা বিষয়টি সমাধান করার কথা বলেছে। যদি সমাধান না হয়। তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, জমি যারই হোক তাই বলে একজন থাকা অবস্থায় অন্য আর একজন না জানিয়ে দেয়াল ভেঙ্গে দখলে নেয়া চেস্টা করবে এটা কেউ করতে পারে না। আর আমি ঐ নামে কাউকে জমি দেই নাই। আমি বিষয়টি দেখবো।






News Room - Click for call