Main Menu

স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থার ছবি ফেসবুকে দিলেন পুলিশ সদস্য!

কলেজ পড়ুয়া স্ত্রীর সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ অবস্থার ছবি ফেসবুকে ছেড়েছেন পুলিশ সদস্য শাহজালাল রহমান শোভন। তিনি ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনসে কর্মরত।

শোভন তার স্ত্রীকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন; এমন একটি পোস্ট ফেসবুকে শেয়ার হয়। তিনি তার ফেসবুক আইডি আরফিন শোভন থেকে ওই পোস্টের কমেন্টে স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ছবি দেন। এসময় বিভিন্ন ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে শোভন ছবিটি পরকীয়া বলে চালিয়ে দেন। এরপর ফেসবুক কমেন্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি তার গায়ে হাত দিই নাই, পরকীয়া হাতেনাতে ধরাতে আমাকে ফাঁসানো, এইগুলো তার প্রমাণ।’

এ ঘটনা জানাজানি হলে শোভন কমেন্টগুলো ডিলিট করেন। একইসঙ্গে তার ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাকটিভ করে দেন। নববধূ শাহিনা খাতুন এ নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন।

এর আগে শাহিনা খাতুনকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে পুলিশ সদস্য স্বামী শোভনের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই নববধূ মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকালে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন।

শাহিনা জেলার শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। তিনি যশোর ক্যানটনমেন্ট কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। শোভন কুষ্টিয়ার শেরকান্দি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে।

শাহিনা জানান, গত ১২ এপ্রিল পারিবারিকভাবে শোভনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। চলতি মাসের ৮ তারিখ তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে ঝিনাইদহ শহরের ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে তারা বসবাস শুরু করেন।

অভিযোগ করে শাহিনা বলেন, শোভন রাতে দেরি করে বাসায় ফিরলে তাকে জিজ্ঞেস করি, তোমার ডিউটি ৭ ঘণ্টা এত দেরি করে বাসায় ফিরলে কেন। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে গালি দেয় ও মারধর করে। পরে আবার সকালে মারধর করে ঘর থেকে বের করে দেয়। দুপুরে অনেক অনুরোধের পর ঘরে ঢুকতে দিলেও রড দিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে আমার গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার চেষ্টা করে। এ সময় আমার চিৎকারে আশপাশের লোকেরা টের পেয়ে যায়। তারা আমাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে শোভন বাধা দেয়। শোভন প্রায়ই নেশা করে বাসায় ফিরে।

এ ব্যাপারে শোভন বলেন, আমার স্ত্রীর মুঠোফোন প্রায় ব্যস্ত পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে সে কোনো জবাব দিতে পারে না। তাছাড়া পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে বাধ্য হই।

এ বিষয় ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনের প্রধান আর আই তরুন বড়ুয়া বলেন, স্ত্রীকে মারধরের বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






News Room - Click for call