Main Menu

গোপালগঞ্জবাসীর জন্য সীমাহীন শুভকামনা জানিয়েছেন সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান এবং নতুন নিয়োগ পেলেন শাহিদা সুলতানা

গোপালগঞ্জের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি যেভাবে সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন যা ভবিষ্যতে তার সুনাম আরো অনেক দূর ছড়িয়ে দেবে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক হতে পারা যে কারো জন্য গৌরবের বিষয়। বিগত তিন বছরে জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত থেকে সরকার মোখলেসুর রহমান গোপালগঞ্জের মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছেন। পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে সেতুবন্ধনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করে সফল হয়েছেন।

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে সরকার মোখলেসুর রহমান সহস্র দিবস (১০০২ দিন) সফলতার সঙ্গে পূর্ণ করেছেন। এবার বিদায় নেবেন তার স্থলাভিষিক্ত হবেন জনপ্রশাসনের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদা সুলতানা।

এই ১০০২ দিনে মোখলেসুর রহমান জনস্বার্থ সংরক্ষণ, জনসেবা নিশ্চিতকরণ, সরকারি সেবা গ্রহণে জনভোগান্তি ও হয়রানি বন্ধ করা, সরকারি কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো ও নিশ্চিত করা, ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে ডিজিটাইলেজেশন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধ, সরকারি সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া, সেবার মান উন্নতকরণ নিশ্চিত করা, খাদ্যে ভেজাল, নকল ওষুধ, যাত্রী হয়রানি, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছেন।

জেলার সফল ও সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান সরকার শুধুমাত্র একজন প্রশাসকই নন, মানবতার জন্য দরদী বন্ধু। ডিজিটাল গোপালগঞ্জ গড়ার পথিকৃৎ হিসাবে ইতিমধ্যে তিনি যুব ও তরুণ সমাজের কাছে একজন জনপ্রিয় ও অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের দ্বারা তিনি প্রতিনিয়ত জেলাবাসীর বড় বড় সমস্যার সমাধান দিয়ে আসছেন।তিনি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

একজন সাধারন মানুষকে ফেসবুকের মাধ্যমে করে নিয়েছেন বন্ধু। তিনি এমন একজন জেলা প্রশাসক যার কাছে সব শ্রেনীর মানুষ আসতে পারেন খুব সহজে। তিনি গোপালগঞ্জের বিভিন্ন অঙ্গনের মানোন্নয়নে যে অতুলনীয় অবদান রেখে চলেছেন তা ভুলা যাবেনা। তার অবস্থানে গোপালগঞ্জের সামগ্রিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে চলছে। তিনি তার কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জবাসীর মনে স্থান করে নিয়েছেন। গোপালগঞ্জবাসী তাকে আজীবন স্মরণ রাখবেন।

ক্ষুধা-দারিদ্র, নিরক্ষরতা ও সন্ত্রাসমুক্ত, শোষণহীন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়দীপ্ত দৃঢ় অঙ্গিকারে জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান সরকার আরো এগিয়ে যান এই হোক আমাদের প্রত্যাশা।

গতকাল রাতে এই জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক সরকার মোখলেসুর রহমান তাঁর ফেসবুকের টাইম লাইনে গোপালগঞ্জবাসীর জন্য সীমাহীন শুভকামনা জানিয়েছেন।

তাঁর টাইম লাইন থেকে নেওয়া:

বর্তমানে কর্মরত জেলা প্রশাসকদের আমাদের ব্যাচই সবচেয়ে সিনিয়র; ডিসি হিসেবে প্রায় তিন বছর হয়ে গিয়েছে। বিসিএস প্রশাসনের চাকুরির নিয়মই কয়েক বছর পর পর বদলী। সে অনুযায়ী আমাদের ব্যাচের ১২ জন জেলা প্রশাসককে আজ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হয়েছে। এর মধ্যে আমার প্রিয় গোপালগঞ্জের কৃতী সন্তান জনাব সায়লা ফারজানা (ডিসি, মুন্সীগঞ্জ) এবং জনাব মোঃ শওকত আলীও (ডিসি, রাজবাড়ী) আছেন।

আমি এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে যাচ্ছি আর ফরিদপুরের ডিসি উম্মে সালমা তানজিয়া যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে।

বদলীর খবরে যারা আমাদের প্রতি হৃদয়ছোঁয়া ভালবাসা জানিয়েছেন তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সীমাহীন কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এখন আর কোন চাওয়া-পাওয়ার বিষয় না থাকায় আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ ভালবাসা নিঃস্বার্থ ও নির্ভেজাল।

গোপালগঞ্জবাসীর জন্য সীমাহীন শুভকামনা। ভালো থাকবেন সারাক্ষণ সারাদিন সারাবেলা সারাজীবন।






News Room - Click for call