Main Menu

কোটালীপাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। এতে আশংকা দেখা দিয়েছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির।
উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের রামনগর, কাফুলাবাড়ী, শিমূলবাড়ী, চিথলীয়া, জলেঙ্গা, বৈকন্ঠপুর,তেতুলবাড়ী,চকপুকুরীয়া,কুমুরিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিদিনই বেড়ে চলছে পানি। শত শত পরিবার পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
এসব বানভাসী মানুষ আশ্রয় নিয়েছে রাস্তাঘাট, বেড়ীবাধ সহ উচু জায়গায়। হাস মুরগী ও গবাদীপশূ নিয়ে পড়েছে চরম বিপাকে। বিলের মধ্যে ঘর বাড়ি হওয়ায় এগুলি অপসারনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না । কোন কোন বাড়িতে প্রায় ঘরের চালা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। কোথাও বাড়ির উঠানে দেখা যায় মাজা পানি । নলকূপ ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট । শত শত মৎস্য ঘের ও সবজী ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় চাষীরা । কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় সরকারী সহায়তা অপ্রতুল।
বন্যা দূর্গত এলাকায় ২৬৪ টি পরিবারের মাঝে এ পর্যন্ত ২০ কেজি করে চাল এাণ সহায়তা দেয়া হয়েছে ।
২নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সন্তোষ বাড়ৈ , আওয়ামী মৎস্যজীবিলীগ কলাবাড়ী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জীবন বাড়ৈ, শিক্ষক মনোজ কুমার হালদার , স্বপন রায় , সুশান্ত ফলিয়া, বিধান বিশ্বাস , পরিমল সরকার সহ একাধিক এলাকাবাসী ও ঘের মালিক
সাংবাদিকদের বলেন,  ৯৯ ভাগ মৎস্য ঘের , সবজী ক্ষেত , ফসল এর জমি ভেসে গেছে। এ ক্ষয়ক্ষতি পূষিয়ে ওঠা সম্ভব নয় ।
সরজমিনে দেখা গেছে , বিদ্যূৎতের তার পানির নিচে তলিয়ে গেছে।যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে । এ ব্যাপারে কোটালীপাড়া পল্লী বিদ্যূৎ ডিজিএম এ. কে.এম ফজলুল হক জানান, এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে এবং আমি ব্যবস্থা গ্রহণ করিতেছি।
এলাকাগুলো ছাড়াও কুশলা ইউনিয়নের বানীয়ারী গ্রামের বেশ কিছু বড় বড় মাছের ঘের ও বাড়ী ঘর বন্যার পানিতে ডুবে গেছে ।
ঘের মালিকদের মধ্যে অনেকেই জানান, তাদের১/২শ বিঘা করে ১৫/২০টি মাছের ঘের বন্যার পানিতে ভেসে যায় । এক একটি ঘেরে ১/২শ যৌথ মালিকানায় মাছ ছাড়া হয়েছে । এদের মধ্যে অনেকেই ব্যাংক লোন , ব্রাক লোন ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থার থেকে ঋণ করে এসব ঘেরে মাছ ছেড়েছেন।
 আওয়ামী মৎস্য জীবিলীগ কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি তোতা মিয়া দাড়িয়া বলেন – করোনার কারনে আমরা মাছ বিকরী করতে পারি নাই, ইতি মধ্যেই বন্যার কবলে পড়েছি আমরা ।
সাধারন সম্পাদক কামরুল ইসলাম তালুকদার পলাশ বলেন,  শত শত মৎস্য ঘের বন্যার পানিতে ভেসে গেছে , চাষীরা ব্যাংক লোন , সুদে ব্যাজে টাকা এনে ঘেরে মাছ ছেড়েছে। এই অপূরনীয় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমরা প্রসাশনের উর্ধতন কতৃকপক্ষ সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছি ।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস. এম মাহফুজুর রহমান জানান, বন্যা মোকাবেলায় সবধরনের প্রস্তুতি আছে আমাদের । আমরা বন্যকবলিত এলাকায় সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পাঠাচ্ছি।





News Room - Click for call