Main Menu

সোলাইমানি হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরাক-ইরানের মামলা

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিসকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এবার নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে যৌথভাবে মামলা করতে যাচ্ছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাক।

সম্প্রতি ইরাকের বাগদাদ শহর মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন তারা। সোমবার (২০ জুলাই) বিবৃতির মাধ্যমে ইরাকের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল জানিয়েছে, আমাদের মাটিতে জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং মুহান্দিসকে হত্যা করা একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।

বিষয়টি নিয়ে ইরানের বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তেহরান ও বাগদাদ যৌথভাবে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এ দিকে সম্প্রতি সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তেহরান। মাহমুদ মুসাভি মাজদ নামের ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা বাহিনী মোসাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি আইআরজিসির।

সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, মাহমুদ মুসাভি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস এবং এর যে শাখার প্রধান ছিলেন কাসেম সোলাইমানি, সেই কুদস ফোর্সের বিষয়ে সিআইএ ও মোসাদকে তথ্য দিয়েছিলেন। সোমবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ প্রসঙ্গে বেশি কিছু জানায়নি ইরান।

ইরাকের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বলছে, বাগদাদ বিমানবন্দরে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরপরই ইরাকের বিচারবিভাগ বিষয়টি তদন্ত করেছে এবং হত্যাকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করছে।

গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হন জেনারেল সোলাইমানি, ইরাকের প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হাশদ আল-শাবির উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ আরও পাঁচজন।

নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের জেরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা শুরু হয়। প্রিয় নেতা হত্যার মৃত্যুতে শোকের মাতম তোলে ইরানের লাখ লাখ মানুষ। দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তির প্রতিশোধ নিতে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি মার্কিন কর্তৃপক্ষের।






News Room - Click for call