Main Menu

গোপালগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে মসজিদের ইমামকে হত্যার চেষ্টা,মামলা দায়ের

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমদিয়া মধ্যপাড়া নতুন জামে মসজিদের ইমামকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মসজিদের সামনে থেকে কৌশলে তুলে নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে প্রতিপক্ষ।

গত বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটেছে বলে গণমাধ্যমকে জানান, প্রাণে বেঁচে ফেরা মারাত্মক আহত ভুক্তভোগী মাওলানা আব্দুল সালাম শেখ (৫০) ও তার স্বজনরা। পরবর্তীতে স্হানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ার আশংকা থেকে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়েরে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১ জুলাই সকাল সাড়ে ৭ টার সময় ডুমদিয়া মসজিদের সামনে থেকে সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নের বাসিন্দা ২ নং আসামী জুলহাস তার মায়ের অসুস্থতার কথা বলে ওই মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল সালাম শেখকে নিয়ে মটর সাইকেলযোগে সদর উপজেলার কাঠি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পিঠাবারি সাকিনস্থ রাজু মিয়ার মাছের ঘেরের সামনে ব্রিজে মটর সাইকেল পৌঁছালে, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা বাদীর একই গ্রাম উরফি ইউনিয়নের বাসিন্দা সাহিদ গাজীর ছেলে সাহান গাজী, কিবরিয়া মৃধার ছেলে মিল্টন মৃধা, কাঠি ইউনিয়নের মৃত বাদলের ছেলে রানা সহ আরো কয়েকজন ইমামকে হত্যার উদেশ্যে এলোপাতারি ভাবে মারপিট শুরু করে। ঘটনায় উপস্থিত শেখ আলমগীর কবিরের হুকুমে সাহান গাজী ক্রিকেট খেলার স্টাম দিয়ে সজোড়ে ইমামকে দুই পায়ে আঘাত করে, এতে ইমামের ডান পায়ের হাঁটুর নিচে হাড় ভেঙ্গে গেলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় উপস্থিত সকলে ইমামকে এলোপাতারি ভাবে মারপিট সহ তার নিকট থাকা নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। পরে ইমামের আর্ত-চিৎকারে ব্রিজের পাশের ঘেরে থাকা হাকিম সরদার সহ লোকজন এসে ইমামকে উদ্ধার করে। এ সময় হামলাকারীরা ইমামকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধারকারী ও স্বজনরা ইমামকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শেখ আলমগীর কবিরের সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং-০৮, তারিখ ৪ জুলাই ২০২০ যা পরবর্তীতে বিচারিক আদালতে গোপাঃ জি,আর-২৪৮/২০ এ রূপান্তরিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই
মুরাদ হুসাইন জানান, মামলার অভিযুক্তরা পালাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।






News Room - Click for call