Main Menu

ফকিরহাটে কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সাব এ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার লোটাস মজুমদারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনের অনুসন্ধ্যানে গিয়ে দেখা গেছে, দুর্নীতির ও অনিয়মের বাস্তব চিত্র।সাংবাদিকরা গেলে এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, এসব নিউজ করে আমার কিছু করতে পারবেন না। পরে কেন্দ্রের ঔষধ স্টোক দেখতে চাইলেই নরম কাটেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। স্টক দেখেই বোঝাই যায় কিভাবে সরকারী ঔষধ লোপাট হচ্ছে। ১০ দিনের স্টকে সর্বনিম্ন ২০ স্থানে ফ্লুইড দেওয়া আর ওভার রাইটিং এর তো অভাব নেই।

তাছাড়া জুন মাসের ২৭ তারিখ অবদি স্টক লেখা থাকলেও ৩ দিনের স্টক লেখা নেই।কারণ জানতে চাইলে তিনি অজুহাত স্বরুপ অসুস্থতা ও ব্যস্ততার কথা বলেন। এই লোটাস মজুমদারের বিরুদ্ধে আরেকটি গুরুত্বর দুর্নীতি হল সরকার কর্তৃক তাকে বরাদ্ধকৃত কোয়ার্টারে অর্থের বিনিময়ে সাবেক চিকিৎসক মনোজ সরকারকে সস্ত্রীক থাকতেও দিচ্ছেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সাথেও খারাপ ব্যাবহার করেন বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, কিছুদিন পূর্বে তার স্ত্রী এই কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসে। লোটাস মজুমদার ফোনে কথা বলে যাচ্ছিলেন অনেক্ষণ শেষ অবদি ৩০ মিনিট পর আমার স্ত্রী চিকিৎসা না নিয়েই বাড়ি ফিরে আসে। স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যদি স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্বের অবহেলা করে ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান না করে তবে এমন স্বাস্থ্যকর্মীর প্রয়োজন নেই বলে অনেকেই বলেছেন।

বিভিন্ন সময় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ভাষ্যমতে জানা যায়, প্রায়শই রোগীদের বসিয়ে রেখে ফোনে আলাপচারিতায় ব্যস্ত থাকে এই স্বাস্থ্যকর্মী। আর মাঝে মাঝে ঔষধ সংকট দেখিয়ে রোগীদের প্রয়োজনীয় ঔষধ ও দিচ্ছেন না। পরে লোটাস মজুমদার সাংবাদিকদের সামনে নিজের ভুল স্বীকার করেন।

অচিরেই দুর্নিতীগ্রস্থ এসকল স্বাস্থ্যকর্মীকে আইনের আওতায় এনে সাজা প্রদান করলে আর কেউ এমন করবেনা বলে ধারণা সচেতন মহলের।

এবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ডাঃ মোহাম্মাদ শাহরিয়ার শামীমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা ছিলোনা। তবে যেহেতু জানতে পেরেছি সেহেতু আমি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।






News Room - Click for call