Main Menu

২ লাখ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা নিয়ে শিওরক্যাশের পরিবেশক উধাও!

প্রায় দুই লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন শিওরক্যাশের ভোলা জেলার পরিবেশক। অভিযুক্ত ওই শিওরক্যাশের পরিবেশকের নাম মো. সোহেল। এ ঘটনায় ভোলা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ভোলার বিভিন্ন উপজেলার ৬০ জন অ্যাজেন্টের টাকা নিয়ে আত্মগোপন করেছেন ওই শিওরক্যাশের পরিবেশক। এ কারণে প্রায় আট শতাধিক শিওরক্যাশ অ্যাজেন্টের সব লেনদেন বন্ধ হয়ে আছে।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও রূপালী ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণের দায়িত্ব নিয়ে নেয় শিওরক্যাশ। ভোলা জেলায় উপবৃত্তির প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর জন্য জন্য পাঠানো হলেও মাত্র হাজার পঞ্চাশেক অভিভাবক টাকা তুলতে পেরেছেন। বাকী দুই লাখ শিক্ষার্থী আদৌ টাকা পাবে কি না তা কেউ বলতে পারে না।

এ ব্যাপারে রবিবার (২৬ মে) দুপুরে শিওরক্যাশের বরিশাল আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ওমর ফারুক ও ভোলার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (টেরিটরি ম্যানেজার) মো. নোমানের সঙ্গে অ্যাজেন্টদের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে সমস্যার কোনো সমাধান না হওয়ায় প্রায় বিক্ষোভ করেন ৬০ জন অ্যাজেন্ট।

এ বিষয়ে ওমর ফারুক জানান, এ ঘটনায় তারা ভোলা সদর থানায় একটি জিডি করেছেন।

অন্য দিকে বিক্ষুব্ধ অ্যাজেন্টরা জানান, ভোলায় শিওরক্যাশের জেলা পরিবেশক মো. সোহেল। তার বাড়ি সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে। ২৩ মে সকালে তারা সোহেলের অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা (ই-মানি) জমা দিয়েছেন। সোহেল তাদের বলেছিলেন, তিনি ক্যাশ করে বিকালের মধ্যে টাকা পৌঁছে দেবেন, কিন্তু তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুললেও এজেন্টদের কোনো টাকা দেননি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র হালদার জানান, ‘ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

 

লিংকঃ দৈনিক অধিকার






News Room - Click for call