Main Menu

মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে খালেদা জিয়া হল,ইবিতে বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরীর শুভ উদ্বোধন

খালেদা জিয়া হল,ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মুজিব বর্ষে মুজিবীয় চেতনা ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বরণে “বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরী” উদ্বোধন করেছে আজ বেলা সাড়ে ১২ টায়।
উনুষ্ঠানটিতে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এর মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড: মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী।উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খালেদা জিয়া হল,ইবির সম্মানিত প্রভোস্ট প্রফেসর ড: রেবা মন্ডল।এছাড়া ও বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় এর উপ উপাচার্য প্রফেসর ড: মোঃ শাহিনুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড: মোঃ সেলিম তোহা।
অনুষ্ঠানটি সন্চালনায় ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মাহবুবা সিদ্দিকা।

অনুষ্ঠান এ প্রধান অতিথী মাননীয় উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন-“আমরা যারা এই ঐতিহাসিক মুজিব বর্ষ পালন করতে পারছি সবাই একটি ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী।এমনই একটি বছরে আমরা আশাবাদ ব্যাক্ত করছি যে যথাযোগ্য মর্যাদায়,নানা মাত্রিকতায় বর্নাঢ্য ভাবে আমরা পূর্ন মুজিব বর্ষ উদযাপন করব সারাদেশব্যপী,সারা পৃথিবীব্যপী।তেমনি খালেদা জিয়া হল তাদের নিজেদের মত করে মুজিব বর্ষ উদযাপন করবে এবং এই উদযাপন এর সূচনালগ্নে তারা একটি অসামান্য কাজ করল যা একটি বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে।জাতির পিতার তৃপ্তিকর,বর্নিল,বর্নাঢ্য জীবন এর নানামাত্রিক দিক নিয়ে যাতে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করতে পারে তার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েসে বঙ্গবন্ধু লাইব্রেরী স্থাপনের মাধ্যমে।বঙ্গবন্ধ সকল জায়গায় তার দক্ষতা ও কৃতিত্ব রেখে গেছেন।প্রশাসন, আমলাতন্ত্র, উন্নয়ন,স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পররাষ্ট্রনীতি, শিক্ষানীতি এবং আজকের বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর হাতেখড়ি এবং সকল ক্ষেত্রে জাতির জনক এর অসামান্য পদাচরণা রয়েছে।বঙ্গবন্ধুর জন্ম এবং তার আগে থেকে উপমহাদেশের রাজনীতি, তার ধুমকেতুর মত আবির্ভাব এবং দীর্ঘ ২৩ বছরের সর্বাধিক দায় ও দক্ষতা নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে পদাচরণা, এই ব্যাপার গুলো নতুন প্রজন্ম কে জানতে হবে।এই জানবার পক্রিয়া হিসেবে খালেদা জিয়া হল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের আরেকটি গৌরব উজ্বল সূচনা করল।আমি মনে করি,তোমরা এখানে থাকা অসংখ্য গবেষণাগ্রন্থ,উপন্যাস,কবিতা আর সাহিত্যে জাতির পিতাকে বারবার আবিষ্কার করবে।নতুন মাত্রিকতায় আবিষ্কার করবে,বিস্মিত হবে,গর্বিত হবে যে এরকম একজন বড়মাপের মানুষের দেশে তোমাদের জন্ম।”

মাননীয় উপাচার্য সাহেব কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এবং উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানটির সভাপতি প্রফেসর ড:রেবা মন্ডল বলেন-“এমন একটি লাইব্রেরী চালু করার বাসনা ছিলো আমার আগে থেকেই এবং সুযোগ টি পেয়ে গিয়েছি হল এর প্রভোস্ট এর দায়িত্ব পাবার কারণে।আয়োজন টা অত্যন্ত ছোট আকারে হলেও আমরা চেতনা কে বড় আকারে ধারণ করব,সম্মান করব।আর এই প্রত্যাশা থেকেই বঙ্গবন্ধ লাইব্রেরীটির সূচনা করা খালেদা জিয়া হল,ইবিতে।বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয়,এটি একটি আদর্শ। একটি বিশ্বব্যাপী চেতনা।সর্বজনীন চেতনা।তোমাদের কে এই মহান মানুষ এর ব্যাপারে জানতে হবে এবং পৃথিবীতে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।”
এছাড়াও সম্মানিত প্রভোস্ট কর্তৃক গঠিত ৭ সদস্য বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু কাউসেন্স সেল এর উদ্ধোধন ঘোষনা করেন মাননীয় উপাচার্য।
অনুষ্ঠানটির শেষ পর্যায়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অসামান্য কৃতিত্ব নিয়ে আলোচনা করেন এবং তার স্বরচিত ২ টি বিশ্ববিখ্যাত বই লাইব্রেরীতে উপাহার স্বরুপ দেন।






News Room - Click for call