Main Menu

ইবি কর্মকর্তাদের দাবী বাস্তবায়নে কর্মবিরতি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কমকর্তা সমিতির ১৬ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এক ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছে সমিতির সদস্য কর্মকর্তারা।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সমানে অবস্থান এবং এক ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করে তারা। ঘোষিত ১৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে কর্মবিরতি অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মীর মোঃ মোর্শেদুর রহমানের সঞ্চালনায় কর্মবিরতি কালে বক্তব্য রাখেন সভাপতি মোহাম্মদ শামছুল আলম (জোহা), কোষাধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান খান টুটুল’সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পূর্বের ১৩ দফা এবং তার সাথে নতুন ৩ দফা দাবীসহ মোট ১৬ দফা দাবী গুলো হলো-

১. উপ-রেজিস্ট্রার/সমমান পদের কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল ৪ নং গ্রেড এবং সহকারী রেজিস্ট্রার/সমমান পদের বেতন স্কেল ৬ নং গ্রেড অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে।

২. অফিস সময়সূচী পূর্বের ন্যায় (সকাল ৮ টা হতে দুপুর ২.০০ টা পর্যন্ত) করতে হবে।

৩. কর্মকর্তাদের চাকুরী হতে অবসরের বয়স ৬০ বছর হতে ৬২ বছর পুনর্বহাল করতে হবে।

৪. শাখা কর্মকর্তা হতে উপ-রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে মোট চাকুরীকাল ১০ বছর অর্থাৎ (৫+৫) করতে হবে।

৫. সকল দপ্তর প্রধান পদে স্থায়ী ভিত্তিতে অনতিবিলম্বে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।

৬. বিধি মোতাবেক অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমান পদে নিয়োগ দিতে হবে।

৭. কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রচলিত ৩টি বেতন ও ভাতাদির পরিবর্তে ১৫ টি বেতন ও ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. চিকিৎসা কেন্দ্রে কর্মরত সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসারদের ডেপুটি চীফ টেকনিকাল অফিসার পদে পদোন্নতি ও আপগ্রেডিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।

৯. পদোন্নতি প্রাপ্ত ৭ জন কর্মকর্তাকে প্রাপ্তির তারিখ থেকে প্রাপ্ত সুবিধা প্রদান করতে হবে।

১০. শিক্ষা জীবনের সকল পর্যায়ে ২য় বিভাগ/ শ্রেণি প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সার্বজনীন রেয়াত হতে বিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ৬ মাসের বেতন কর্তন না করা।

১১. পদোন্নতি প্রাপ্ত ৮ জন কর্মকর্তাকে প্রাপ্তির তারিখ হতে প্রাপ্ত সুবিধা প্রদান করতে হবে।

১২. সৃষ্টিকৃত “সিনিয়র পেশ ইমাম” পদটি চূড়ান্ত অর্গানোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

১৩. বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌষ্য কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে ন্যূনতম আবেদনের (ভর্তি পরীক্ষা) যোগ্যতা থাকলেই ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

১৪. উপাচার্যের পি.এস. মোঃ রেজাউল করিম রেজার পিতার নামে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সাময়িক/মূল সনদপত্র তার ব্যক্তিগত নথিতে অন্তর্ভুক্ত না হলে ০৯ ফেব্রুয়ারির ২০২০ এর মধ্যে মোঃ রেজাউল করিম কে সাময়িক বরখাস্ত এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

১৫. বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ নওয়াব আলী খান-কে উক্ত পদ হতে অপসারণ করতে হবে।

১৬. এস্টেট অফিসের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশসহ দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।






News Room - Click for call